Spread the love

” বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধাবস্থা ও অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সারা বিশ্বের মানুষই কম-বেশি এই সংকটের মুখোমুখি। এমন পরিস্থিতিতে দেশে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ভোক্তাদের জন্য পণ্যের দাম সহনশীল রাখা এবং উৎপাদক ও খামারিদের স্বার্থ রক্ষা করা—এই বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে সরকার। “ এসব কথা বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ।

‘নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ বাস্তবায়ন ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদারকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায শেষে তিনি  সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ।
খাদ্যের নিরাপত্তা এবং সঠিক খাদ্যদ্রব্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন একই সাথে যারা উৎপাদন কাজের সাথে যুক্ত, তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। বাজারে পণ্যের দাম সহনশীল রাখার জন্য একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভোক্তা উপকৃত হন, খামারিরা টিকে থাকেন এবং পশুখাদ্য বা ফিড উৎপাদনকারীরাও তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। যেসব খামারি ঋণ নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের জন্য সুদের হার কীভাবে কমানো যায় সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি । পাশাপাশি ফিড উৎপাদনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পশুখাদ্যের উৎপাদন খরচ কমানোর উপায় খোঁজা হচ্ছে। পশুখাদ্যের দাম কমলে খামারিদের সার্বিক খরচ কমে আসবে এবং বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, খামারিরা ভালো করলে নতুনরা উৎসাহিত হবে এবং এই খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়া বিভিন্ন খাতের মধ্যে বিদ্যমান সমন্বয়হীনতা দূর করার লক্ষ্যে সারাদেশে পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মতবিনিময় কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
গাজীপুরে  ঘোড়া জবাই ও এর মাংস বিক্রির মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গাজীপুরসহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মী এবং অধিদপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ ঘোড়া জবাই বন্ধে সর্বোচ্চ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।