Spread the love

উত্তরাঞ্চলের আলু চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং আলু সংরক্ষণ সংকট সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ । কৃষিমন্ত্রী বলেন, আলু উৎপাদনকারী অঞ্চলে বৃহৎ পরিসরের কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং আলু চাষিদের লোকসান কমানোর লক্ষ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রংপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর টেবিলে উপস্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাস্তবায়িত ‘আলুর বহুমুখী ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিপণন উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় আলু উৎপাদনসমৃদ্ধ এলাকায় স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৭০৩টি মডেল সংরক্ষণ ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘরে ৩০ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণের সক্ষমতা রয়েছে। তিনি জানান, এসব মডেল ঘরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চার মাস পর্যন্ত আলু সংরক্ষণ করা সম্ভব। ফলে উৎপাদন মৌসুমে কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি না করে পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন।

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ‘আলুর বহুমুখী ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিপণন উন্নয়ন (দ্বিতীয় ফেজ)’ শীর্ষক একটি নতুন প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে জানান কৃষিমন্ত্রী । প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে আলু সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অবকাঠামো আরো সম্প্রসারিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আমিন উর রশিদ  আশা প্রকাশ করেন, অদূর ভবিষ্যতে দেশের উত্তরাঞ্চলের আলু উৎপাদনকারী এলাকাগুলোতে সংরক্ষণ সুবিধা ও বাজার ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা সম্ভব হবে, যা কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খবর বাসসের