Spread the love

পেঁয়াজের আমদানি অনুমতি ইস্যুর সংখ্যা বাড়ানোর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে দর কমেছে ১০ থেকে ২০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি অব্যাহত থাকলে এবং মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে।

রোববার রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানভেদে ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। দুই দিন আগে দর ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। একই সঙ্গে দেশি পুরোনো ও নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। বাজারে গতকাল এই দুই ধরনের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হয়েছে কমবেশি ১৩০ এবং ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, এক বছরের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম প্রায় আড়াই শতাংশ বেড়েছে।

পেঁয়াজের দাম নাগালে রাখতে আমদানির অনুমতি বাড়িয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। গত শনিবার থেকে প্রতিদিন ২০০টি আইপি ইস্যু করা হচ্ছে। প্রতিটি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এর আগে দৈনিক ৫০টি আইপি ইস্যু করা হতো।

কৃষি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি অনুমতির সংখ্যা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর প্রতিদিন ৫৭৫টি আইপি ইস্যু করা হবে। প্রতিটি আইপির বিপরীতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ থাকবে।

অনুমতি দেওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আসছে। ফলে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এ ছাড়া মুড়িকাটা পেঁয়াজের জোগানও বাড়ছে। দুই দিক থেকে সরবরাহ বাড়ায় পুরোনো পেঁয়াজের ওপর চাপ কমেছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারত থেকে কম দামে আমদানি হলেও ব্যবসায়ীরা বাড়তি দামেই পেঁয়াজ বিক্রী করছেন।

মাস দেড়েক আগে হঠাৎ বাজারে পেঁয়াজের অস্থিরতা দেখা দেয়। এরপর আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে– সরকারের এমন ঘোষণায় দাম কিছুটা কমে আসে। কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় আমদানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানালে আবার বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়। অবশেষে ৭ ডিসেম্বর থেকে সরকার আমদানির অনুমতি দেওয়া শুরু করলে দাম কমতে থাকে।