কুয়ালালামপুরভিত্তিক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এশিয়ার বাজারে গত শুক্রবার অন্যান্য ভোজ্যতেলের দামও কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে পাম অয়েলের বাজারে। ফলে ফিউচার চুক্তিতে বিক্রির চাপ তৈরি হয়।’
চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সবচেয়ে সক্রিয় সয়াবিন তেলের চুক্তির দাম ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। একই বাজারে পাম অয়েলের দাম কমেছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে সয়াবিন তেলের দামও দশমিক ৭৭ শতাংশ কমেছে।
বিশ্ববাজারে পাম অয়েল অন্যান্য ভোজ্যতেলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। তাই এসব তেলের দামের ওঠানামা পাম অয়েলের বাজারেও প্রভাব ফেলে।
এছাড়া ভারতীয় সরকার পাম অয়েল আমদানিতে শুল্ক কমানোর কথা বিবেচনা করছে। এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা বাজারের নজরে রয়েছে। শুল্ক কমানো হলে মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের চাহিদায় প্রভাব পড়তে পারে।
অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়ার কালিমান্তান অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া ও দাবানলের কারণে চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) পাম অয়েল উৎপাদন ১২-১৫ শতাংশ কমতে পারে। মালয়েশীয় রিঙ্গিতের বিনিময় হারও ডলারের বিপরীতে দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এতে বিদেশী ক্রেতাদের জন্য পাম অয়েল কেনা আরো ব্যয়বহুল হয়ে গেছে।





