Spread the love

 এ  বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে।  একবিঘা জমিতে ৭০ থেকে ৮০ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। কোনো কোনো জমিতে ১০০ মনের বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। ফলন  বেশি পাওয়ায় কৃষকের মাঝে স্বস্তি থাকলেও বিক্রির সময় কম দাম পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

ফরিদপুরের  ৯টি উপজেলাই কম-বেশি পেঁয়াজের আবাদ করলেও সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয় ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সালথা উপজেলায়। ভাঙ্গায় ইতোমধ্যে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

প্রথম দিকে ১১০০ টাকা মন দরে বিক্রি হলেও এখন তা ৭০০/ ৮০০ টাকায়  নেমে এসেছে। এতে  উৎপাদনকারী কৃষকেরা হতাশ।

ভাঙ্গা বাজারের পেঁয়াজ হাটের একজন আড়তদার  বলেন , রমজানের আগে মুড়িকাটা পেঁয়াজ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা বিক্রি করেছি। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হাটে সেই একই মুড়ি কাটা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা দরে। এমন দাম কমলে কৃষকের মাথায় হাত পড়বে। গত সোমবার হাটে শুক্রবারের হাটের চেয়ে ১০০ টাকা দাম কমে বিক্রি হয়েছে।

এ বিষয় ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মামুন মোল্লা জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় চাষিরা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন পেয়েছেন; কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পেঁয়াজের দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভেঙে পড়েছেন তারা। এ বছর ভাঙ্গা উপজেলায় ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার মেট্রিক টন।

প্রতি বছর পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় ফরিদপুর জেলায় পেঁয়াজের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৩৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করেছেন কৃষকেরা ।