Spread the love

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ ব্যয়ের হিসাব বিবেচনা করেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আজ এ কথা বলেন। সুগন্ধি চাল রপ্তানির কারনে দাম বৃদ্ধি  প্রসঙ্গে তিনি জানান, অনুমোদনের বিপরীতে এ পর্যন্ত মাত্র আড়াই হাজার টন চাল রপ্তানি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে যারা চাল রপ্তানি করতে পারেননি, তাদের অনুমোদন উল্লেখযোগ্য হারে বাতিল বা কমানো হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর পণ্য হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে। আমদানিকৃত তেলের দাম নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি রয়েছে। এতে এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, পরিশোধন ব্যয়, পরিবহন ও অপচয়জনিত খরচ যুক্ত করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।তিনি বলেন, আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যবসায়ীদের লোকসান থেকে সুরক্ষা দিতে বাজারে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। দুই ঈদে খোলা ট্রাকে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়মিত ওএমএস কার্যক্রমও চলছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে আমদানিকারকদের ঋণপত্র খোলা ও আমদানির সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করা হচ্ছে।

চিনির বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপের কাছে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত চিনি রয়েছে। ইউটিলিটি-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সাময়িক উৎপাদন ব্যাহত হলেও দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

বাসসের সৌজন্যে