ফারমারস উইকলির তথ্যমতে, পণ্যভিত্তিক মূল্যের চিত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে মোজারেলা পনিরের। পণ্যটির দাম ৬ শতাংশ কমে গড়ে দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৩ হাজার ৪৫৬ ইউরোয়। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চেডার পনিরের। পণ্যটির দাম ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ৩ হাজার ৫২৮ ইউরো হয়েছে। চেডারের এ বড় মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক সূচকের পতন কিছুটা ঠেকাতে সহায়তা করেছে। আফ্রিকান অঞ্চলের ক্রেতাদের আগ্রহের কারণেই চেডার পনিরের দামে এ উল্লম্ফন ঘটেছে। মাখনের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমে টনপ্রতি ৪ হাজার ১২১ ইউরো হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের দুগ্ধ শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হোল মিল্ক পাউডার (ডব্লিউএমপি) বা পূর্ণ ননিযুক্ত গুঁড়া দুধের দামও কমেছে দশমিক ৮ শতাংশ। টনপ্রতি ডব্লিউএমপির মূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫৬৫ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে স্কিম মিল্ক পাউডার (এসএমপি) বা ননিছাড়া গুঁড়া দুধের দাম দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ৩ হাজার ৬৮৯ ডলার হয়েছে। বাটারমিল্ক পাউডারের দাম কমেছে দশমিক ৫ শতাংশ।
জুলাই ও আগস্টে দুগ্ধপণ্যের দাম বাড়ার পর সর্বশেষ নিলামের ফলাফল বাজারে কিছুটা অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আইরিশ ফারমারস জার্নাল। বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদার পরিবর্তনের কারণে এ মিশ্র প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের দুগ্ধপণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ এখন এক রকম নয়। দুগ্ধের প্রোটিন ও হুইজাতীয় পণ্যের (পনির বা ছানা তৈরি করার পর ছেঁকে নেয়া তরল অংশ থেকে তৈরি দুগ্ধজাত পণ্য) চাহিদা তুলনামূলক বেশি। এ কারণে এসএমপির দাম কিছুটা বেড়েছে। বিপরীতে সাধারণ মিল্কফ্যাট বা চর্বিজাতীয় পণ্যের প্রতি আগ্রহ কিছুটা কমেছে। এ নিলামে এশিয়ার উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় দেশগুলো মূল কেনাকাটা সম্পন্ন করেছে।






