ব্যাংকের মোট ঋণের ৪ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের অন্তত ৪ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এ হার ছিল ২ দশমিক...
continue reading
দেশের ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের অন্তত ৪ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে এ হার ছিল ২ দশমিক...
continue reading
দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান। তিনি বলেন, দেশের...
continue reading
দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে ” বিন্না ঘাসের “ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (১৭ জুলাই) সচিবালয়ের ...
continue reading
আগাছানাশক প্যারাকোয়াট এখন শুধু আগাছাই নিধন করছে না, কেড়ে নিচ্ছে মানুষের জীবন। কিছুদিন আগে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১১৭ জন রোগী। এ বিষক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত প্যারাকোয়াট। এমনিতেই ঝিনাইদহ একটি আত্মহত্যাপ্রবণ এলাকা। সেখানে প্যারাকোয়াটের সহজলভ্যতা এই হার আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ১১৭ জনের অধিকাংশই পান করেছিলেন প্যারাকোয়াট (সূত্র: প্রথম আলো)। চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন’-এ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয় সম্প্রতি। সেখানে ‘ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ল্যাবরেটরি প্রোফাইল অব প্যারাকোয়াট পয়জনিং: এ টক্সিকোলজিক্যাল ক্রাইসিস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষিকাজে আগাছানাশক হিসেবে ব্যবহৃত অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক ‘প্যারাকোয়াট’ বর্তমানে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে আগাছা দমনে একসময় এটি কার্যকর সমাধান হিসেবে দেখা হলেও, বর্তমানে ‘প্যারাকোয়াট’ (Paraquat) হয়ে উঠেছে জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম এক হুমকি। অত্যন্ত তীব্র বিষাক্ত এই রাসায়নিকের সহজলভ্যতা ও অপব্যবহারের কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা এবং দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্যারাকোয়াট হলো একটি নন-সিলেক্টিভ এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রাসায়নিক আগাছানাশক)। এটি মূলত কৃষিজমিতে অপ্রয়োজনীয় গাছগাছালি ও আগাছা দ্রুত ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়। চা-বাগান থেকে শুরু করে সমতল কৃষিজমি কিংবা দূরবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলের জুমচাষ—বর্তমানে সবখানেই আগাছা পরিষ্কারের জন্য এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক ও কার্যকর আগাছা দমনে। এটি গাছের পাতার সংস্পর্শে আসা মাত্র সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার ইলেকট্রন পরিবহন শৃঙ্খলকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। উদ্ভিদকোষে বিষাক্ত সুপারঅক্সাইড ও ফ্রি-র্যাডিক্যাল তৈরি করে, যা কোষের প্রাচীর ও ঝিল্লিকে নিমেষেই ধ্বংস করে ফেলে। স্প্রে করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গাছের কাঁচা পাতা শুকিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পুরো আগাছা মারা যায়। এটি উদ্ভিদের ওপর প্রয়োগ করা হলেও, মানবদেহের জন্য প্যারাকোয়াট এক চরম বিষাক্ত রাসায়নিক। মানুষের শরীরে এর প্রভাব ও পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ, কারণ এর কোনো অ্যান্টিডোট নেই। প্যারাকোয়াট বিষক্রিয়ার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট প্রতিষেধক বা অ্যান্টিডোট আবিষ্কার হয়নি। পাকস্থলী পরিষ্কার বা হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমেও মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো কঠিন হয়ে পড়ে। মানবদেহে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিলিলিটার (প্রায় এক থেকে দুই চা-চামচ) প্যারাকোয়াট প্রবেশ করলেই তা প্রাণঘাতী হতে পারে। রক্তে মিশে গিয়ে এটি কিডনি বৈকল্য ঘটায় এবং পরবর্তীতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয় (পালমোনারি ফাইব্রোসিস)। এতে রোগী কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগে মারা যান। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন প্যারাকোয়াটের সংস্পর্শে থাকলে স্নায়ুতন্ত্রের ‘পারকিনসন্স ডিজিজ’-এ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৩ গুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি ক্যানসারের মতো জটিল রোগের সাথেও এর গভীর যোগাযোগ পাওয়া গেছে। এখন কথা হলো, এত বিষাক্ত হওয়া সত্ত্বেও কেন এটি হাতের নাগালে? বিশ্বের ৭৭টিরও বেশি দেশে প্যারাকোয়াটের ব্যবহার ও বিক্রয় পুরোপুরি নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তা সত্ত্বেও আমাদের মতো উন্নয়নশীল ও কৃষিপ্রধান দেশগুলোতে এটি খুব সহজে পাওয়া যায়। গ্রামাঞ্চলে কৃষি কাজের জন্য দিনমজুরের সংকট এবং পারিশ্রমিক বৃদ্ধির কারণে কৃষকেরা শ্রম বাঁচিয়ে হাত দিয়ে আগাছা তোলার বদলে স্বল্প খরচে কেমিক্যাল স্প্রে করাকে বেছে নিচ্ছেন। বিগত এক দশকে এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী প্যারাকোয়াটের আমদানি কয়েক গুণ বেড়েছে। বাজার বিপণন এবং নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতার সুযোগে বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলো এটি অবাধে বাজারজাত করছে। মাঠপর্যায়ের ব্যবহারকারী এবং কৃষকদের মধ্যে এর তীব্র বিষাক্ততা, পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা এবং শারীরিক ঝুঁকি সম্পর্কে সঠিক সচেতনতা গড়ে ওঠেনি। যেকোনো কীটনাশক বা সারের দোকানে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো ধরনের প্রেসক্রিপশন বা লাইসেন্স যাচাই ছাড়াই রাসায়নিকটি কিনতে পাওয়া যায়। ফলে দুর্ঘটনাবশত গ্রহণ কিংবা আত্মহত্যার মতো উদ্দেশ্যেও এটি সহজেই নাগালের মধ্যে চলে আসছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিষাক্ত চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে এখনই কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের তালিকায় থাকা এই উপাদানটিকে দ্রুত নিষিদ্ধ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিতে হবে। পরিবেশ ও শরীরের ক্ষতি কম করে—এমন বিকল্প রাসায়নিক (যেমন: ইমাজাপাইর, কারফেনট্রাজোন-ইথাইল) কিংবা যান্ত্রিক উপায়ে সমন্বিত আগাছা ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় কথা জনসচেতনতা বাড়ানো; স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী, নারী ও কৃষকদের মাঝে প্যারাকোয়াটের ভয়াবহতা প্রচার করা। শাঁওলী সুমন
continue reading
বিদেশ থেকে আমদানি করা ফলের দাম সহনীয় করতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফল আমদানির এলসিতে শতভাগ মার্জিনের শর্ত প্রত্যাহার...
continue reading
মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন বাজার খুঁজে বের করার জন্য দেশের উদ্যোক্তাদের প্রতি...
continue reading
জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আগামীকাল রোববার ( ১৬ আগস্ট ) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির প্রস্তুতি সরজমিনে দেখেছেন...
continue reading
গ্যাস সংকটের কারনে দেশের বড় শিল্পগোষ্ঠিগুলো কারখানা চালু রাখতে না পারায় বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ কমলে এসব জিনিষের দাম বাড়ার...
continue reading
ভোলায় বিশ্ব ব্যাংকের টাকায় নির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নেই জনবল, অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে কয়েক কোটি কোটি টাকার ভবন ।এই...
continue reading
উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় উচ্চফলনশীল ‘জি-৯’ (গ্র্যান্ড নাইন) জাতের কলার বাণিজ্যিক চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। আধুনিক...
continue reading