Spread the love

সরকার প্রাণীসম্পদ খাতে রোগ-বালাই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের দেশীয় উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি কমাতে চায় । এজন্য সরকারি উদ্যোগের কথা জানিয়ে   মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও হাঁস-মুরগির জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিনের বড় অংশ এখনও আমদানিনির্ভর। এই নির্ভরতা কমিয়ে দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। কুমিল্লার বায়োলজিক্স অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ সেন্টারকে আধুনিকায়ন করে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের ভ্যাকসিন চাহিদার বড় অংশ এখান থেকেই পূরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার কুমিল্লার বায়োলজিক্স অ্যান্ড অ্যাপ্লায়েড রিসার্চ সেন্টারে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কুমিল্লা জেলার প্রাণিসম্পদ প্রতিষ্ঠানসমূহে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের ভ্যাকসিন উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগে বছরে প্রায় পাঁচ লাখ ডোজ উৎপাদিত হলেও চলতি বছর ২০ থেকে ৩০ লাখ ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে কুমিল্লার এই কেন্দ্র থেকে এক কোটিরও বেশি ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা রয়েছে।

গবাদিপশুর রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, খুরা ও বসন্ত রোগ দেশের গবাদিপশুর জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। এসব রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের আরও সচেতন হতে হবে। সরকার কম খরচে ভ্যাকসিন সরবরাহ করছে এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন আরও সহজলভ্য করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।