
হাইব্রিড বীজ উৎপাদনে আঞ্চলিক সক্ষমতা বাড়ানো গেলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মানসম্মত বীজের প্রাপ্যতা বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় বীজব্যবস্থা শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।ভালো মানের হাইব্রিড বীজ উৎপাদনে কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ভুটানে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণের আলোচনায় এসব কথা বলা হয়েছে । আজ সোমবার (৫ অক্টোবর ) ভুটানের ইউসিপাংয়ে ন্যাশনাল সেন্টার ফর অর্গানিক এগ্রিকালচারে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়।

‘সার্ক সদস্য দেশগুলোর জন্য সবজির হাইব্রিড বীজ উৎপাদন’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ভুটানের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিভাগ। সহযোগিতা করছে ঢাকার সার্ক কৃষি কেন্দ্র। ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত হাইব্রিড পদ্ধতিতে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভুটানের কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী লিয়নপো ইয়োনতেন ফুন্টশো উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বীজ প্রযুক্তি, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগের সুফল কৃষকের কাছে পৌঁছাতে হবে। উন্নত জাত, সহজলভ্য প্রযুক্তি এবং নির্ভরযোগ্য বীজ সরবরাহব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে উদ্ভিদ প্রজনন, হাইব্রিড শক্তি এবং মানসম্মত বীজব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, রোগবালাই ও কীটপতঙ্গের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত বীজ প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক তানভীর আহমদ তরফদার।
অনুষ্ঠানে ভুটানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মালেকা পারভীন, ভুটানে নিযুক্ত ভারতের দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি নেহা যাদব এবং ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বহুপক্ষীয় বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।ভুটানের কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষণার্থীরা এতে অংশ নিচ্ছেন। ভুটান থেকে প্রায় ৩০ জন গবেষক সরাসরি প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিরা ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়েছেন।




