
১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করে বিশ্বজুড়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে থাকে। এ বছর দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—“আজকের উদ্ভাবন, আগামী দিনের পুষ্টি” (Innovate today. Nourish tomorrow)।

দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মহাপরিচালক চ্যু দোংইউ এক বাণীতে বিশ্বজুড়ে কৃষি ও খাদ্য খাতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সঠিক প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালেও বিশ্বের প্রায় ৬৪ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষ ক্ষুধার সম্মুখীন হয়েছেন এবং প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন সঠিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে পারছেন না। আধুনিক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির যুগে প্রযুক্তির অভাব নেই, তবে মাঠপর্যায়ে ক্ষুদ্র কৃষকদের কাছে তা সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করে তোলাই মূল চ্যালেঞ্জ।
বাণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিজিটাল আবহাওয়া ও বাজার বার্তার তথ্য, স্মার্ট সেচব্যবস্থা, মাটির সেন্সর এবং প্রাণিসম্পদের আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। একই সাথে স্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী কৃষিজ্ঞানকে আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত করে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামলানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।




