Spread the love

সাতক্ষীরার আম এরই মধ্যে বাজারে এসেছে । রাজশাহীর আম পাড়া শুরু হবে ১৫ মে। তৈরি হয়েছে সময়সুচী । কিন্তু আমের রাজধানী নামে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ বছরও থাকছে না কোনো ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’। পরিপক্ব হলেই বাজারজাতকরণ করা যাবে আম। দেশের বিভিন্ন জেলার ন্যায় আম পাড়ার কোন সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।

filter: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; captureOrientation: 0;
shaking: 0.075866; highlight: 0; algolist: 0;
multi-frame: 1;
brp_mask: 0;
brp_del_th: 0.0000,0.0000;
brp_del_sen: 0.0000,0.0000;
delta:null;
module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 32768;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 38;

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ প্রণয়ন, নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. ইয়াছিন আলী, আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিন, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

আম চাষিদের সম্মতিতে এ সভায় জানানো হয়, গাছে আম পাকলেই বাজারে বিক্রি করা যাবে। আম পাড়ার জন্য কোনো ক্যালেন্ডার থাকছে না। আম চাষিদের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

সভায় আরও জানানো হয়, যদি কোনো অসাধু ব্যবসায়ী অপরিপক্ব আম বাজারে বিক্রি করে, সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া আমের ওজন নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার কথা জানানো হয়।

উল্লেখ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার সাড়ে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ মেট্রিক টন আমের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গেলো বছর ছিল প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন।