
আলো ঝলমলে আর বিলাসবহুল চাকচিক্য হোটেল রেস্তোরায় প্রতিদিন মানুষ কি খাচ্ছে, সেটা কেউ জানেনা। কোন ঘটনা ধরা পড়ার পর সামনে আসলে তখেই যেন এসব আলোচনায় আসে। আর বাকি সময় যাদের দায়িত্ব খাবারের নিরাপদতা রক্ষা করা, স্থানীয় পৌর কতৃপক্ষ কোথায় ? নাহলে কিভাবে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বিক্রী করে মনুষ্যত্বহীন ব্যক্তিরা ? আর এঘটনা ঘটেছে সাতক্ষীরার তালা সীমান্ত ও খুলনার জেলার ডুমুরিয়া থানার কাঞ্চনপুর এলাকায় ।

অবশেষে এসআরবি-৬ এর সাতক্ষীরা-১ ক্যাম্পের সদস্যদের অভিযানে ধরা পড়েছে জবাইকৃত ঘোড়ার মাংশ গরুর মাংশ বলে বিক্রি করা চক্রের মুল হোতা আনিসুর রহমান পলাশ। শনিবার তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে ৩মাসের সশ্রম কারাদন্ডও দেওয়া হয়। এমন ঘটনা ঘটেছে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৮ মাইল এলাকায়। অভিযানে ৩টি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংশ এবং একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত আনিসুর রহমান পলাশকে শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এসআরবি-৬, সিপিসি-১-সাতক্ষীরা এর কোম্পানি কমান্ডার জাইন উদ্দিন মোহাম্মদ যিয়াদ ঘটনার নিশ্চিত করে জানান, “আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে সাতক্ষীরার তালা সীমান্ত ও খুলনার জেলার ডুমুরিয়া থানার কাঞ্চনপুর এলাকায় ঘোড়ার মাংসকে গরুর মাংস বলে বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরায় বেশকিছু দিন বিক্রি করে আসছে। এমন খবরের ভিত্তিতে আমরা এলাকাটিতে নজরদারি বাড়াই এবং গতকাল রাত থেকে ধারাবাহিক অভিযান শুরু করি।” তিনি বলেন, আমরা এখানে তিনটি জবাই করা ঘোড়ার মাথা ও মাংস জব্দ করি এবং আরও একটি ঘোড়া জীবিত অবস্থায় জব্দের পর মূল হোতা আনিসুর রহমান পলাশ কে ধরতে সক্ষম হয়। পরে এসব ঘোড়ার মাংশ মাটিতে পুতে ফেলা হয়।

অভিযান শেষে আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচালনায় মোবাইল কোর্ট আটক আনিছুর রহমান পলাশকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উদ্ধার করা জীবিত ঘোড়াটিকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং এ ধরনের প্রতারণামূলক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন এসআরবি।




