Spread the love

খামার পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের উৎপাদন খরচ ১০ টাকা হলেও এখন বিক্রয়মূল্য ৬ টাকা। ফলে প্রতিটি ডিমে ৪ টাকা লোকসান হচ্ছে। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন দেশের তৃণমূল পর্যায়ের পোল্ট্রি খামারিরা। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দুই বছরের মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ের পোল্ট্রি খামারিরা টিকে থাকবে না, সব ঝরে পড়বে। সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ক্ষুদ্র খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

 

দেশের পোল্ট্রি খাতকে টিকিয়ে রাখতে জাতীয় পোল্ট্রির ডিজিটাল ডাটাবেজ চালুর পাশাপাশি নিবন্ধিত খামারিদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কর্মসূচি গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোল্ট্রি খামারিরা।  একই সঙ্গে অবিলম্বে পোল্ট্রি বীমা চালুর উদ্যোগ নেয়ার দাবিও তাদের।

 

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের লক্ষাধিক পোল্ট্রি খামারিকে রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।  খামারিদের উৎপাদিত ডিমের যৌক্তিক ও লাভজনক বিক্রয় মূল্য নিশ্চিত করা, জাতীয় পোল্ট্রি নীতিমালা সংশোধন, স্বল্প সুদে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের ঋণ প্রদান এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া খামার পুনরায় চালু করতে পূর্ণ অর্থায়নের দাবি তোলেন বক্তারা।  পাশাপাশি পোল্ট্রি খাদ্যের কাঁচামাল আমদানিতে সব ধরনের ভ্যাট ও কর প্রত্যাহারেরও আহ্বান জানান তারা।