
বাগেরহাটে স্লুইসগেট ও অবৈধ পাইপ দিয়ে লবণ পানি ঢোকানোয় শত শত একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নদী-খাল ও ফসলের মাঠে লবণপানি ঢোকানো বন্ধের দাবিতে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। সদর উপজেলার ‘ডেমা ইউনিয়নের ভুক্তভোগী কৃষকগণ’ মানববন্ধন শেষে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, লবণপানির কারণে ডেমা ইউনিয়নের অন্তত আট হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাঁরা বলেন , স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মানুষের কারণে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ডেমা ইউনিয়নে ১৭টি জলকপাট ও ১৬টি অবৈধ পাইপ দেওয়া আছে। মাঠের ধান এখন পাকার অপেক্ষায় আছে। এই মুহূর্তে মাছ চাষের জন্য অবৈধভাবে জলকপাট দিয়ে লবণপানি তোলা হচ্ছে। এতে সব ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর্যায়ে আছে। এতে এলাকার কৃষকেরা পথে বসে যাবেন। বারবার প্রশাসনের কাছে দরখাস্ত করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তাঁরা এখানে আসতে বাধ্য হয়েছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭১ একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন কৃষকেরা।
জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. আতিয়া খাতুন জানান , দখল হয়ে যাওয়া নদী-খাল উদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে। স্লুইসগেট দিয়ে লবণপানি ঢোকানো রোধে ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। এখানে দুটি পক্ষ হয়ে গেছে। কেউ মাছচাষি, কেউ ধানচাষি। একপক্ষ লবণপানি ঢোকাতে চায়। ধানচাষিদের এতে ক্ষতি হয়। গত দেড় মাস ধরে তাঁরা এটা নিয়ে কাজ করছেন। আশা করছেন, দ্রুত সমাধান হবে।





