
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মধ্যম আয়ের কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তার আওতায় আনতে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা দূর করা হবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ফসল উৎপাদন বাড়লে কৃষকরা উপকৃত হবেন। এতে খাদ্যশস্যের দামও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার ( ১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট-মুহুরী সেতু এলাকায় মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পানি নিষ্কাশন প্রকল্প পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) উদ্বোধন শেষে আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম সাত দিনের মধ্যেই এ ঋণ মওকুফ করা হয়। এতে সরকারের প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে এবং দেশের প্রায় ১৩ লাখ কৃষক এ সুবিধা পেয়েছেন।
মুহুরি-কহুয়া প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার তার বৃহত্তর খাল ও নদী পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুহুরি ও কহুয়া নদীর সংযোগকারী খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে।
এ সময় তিনি ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যার কথা স্মরণ করে বলেন, সে সময় ফেনীতে সেতুর উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছিল এবং নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বাড়িঘরও পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিকাজে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য পানির ব্যবস্থা করার গুরুত্বকে বিবেচনায় নিয়ে সরকার নির্বাচনের আগেই খাল ও নদী পুনঃখনন কর্মসূচির ঘোষণা করেছিল।
তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
তারেক রহমান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৩৪ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা পৌঁছাবে। এর ফলে, ফসল উৎপাদন আনুমানিক ১ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




