
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় দুধের নামে তৈরি হচ্ছিল জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ভেজাল খাদ্যপণ্য। কোথাও দুধে মেশানো হচ্ছিল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, আবার কোথাও জেলি ও ভোজ্যতেল ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছিল নকল দুধ। আর এই অন্যায় কাজ হাতে-নাতে ধরার জন্য ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে সফল হয়েছে ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্ত । ফরিদপুর উপজেলায় ভেজাল ও নকল দুধ উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের বিষয়ে গোপন তথ্য পাওয়ার পর কৌশলগতভাবে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অপরাধীদের হাতেনাতে শনাক্ত করতে বিকেল ৩টা থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সহায়তা ও স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক কার্যক্রমের আড়ালে নজরদারি শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সন্ধ্যার পর ভেজাল দুধ তৈরির কার্যক্রম শুরু হলে অভিযান চালিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা কার্যালয় ও ফরিদপুর উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত অভিযানে এসব অনিয়ম উদ্ঘাটিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছদ্মবেশে পরিচালিত অভিযানে এমন ভয়াবহ অনিয়মের সন্ধান পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা, একটি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে সিলগালা এবং একজনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।




