Spread the love

“ একই জমিতে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রেখে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে এগ্রিভোল্টাইক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের অধিকার, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং সুফলের ন্যায্য বণ্টনকে প্রতিটি এগ্রিভোল্টাইক উদ্যোগের কেন্দ্রে রাখতে হবে।”  পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু গত বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীতে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন।

বাংলাদেশে এগ্রিভোল্টাইকের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারি প্রতিনিধি, গবেষক, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী এবং ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

আলোচনায় পরিবেশমন্ত্রী বলেন,  ‘এগ্রিভোল্টাইক একটি সম্ভাবনাময় সমাধান। এর মাধ্যমে একই জমিতে সৌর ফটোভোল্টাইক ব্যবস্থা ও কৃষি উৎপাদন পরিচালনা করা সম্ভব। যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে ফসল চাষ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এ পদ্ধতি বাষ্পীভবন কমাতে, পানির ব্যবহার আরও দক্ষ করতে এবং কৃষকের অতিরিক্ত আয় নিশ্চিত করতেও সহায়ক হতে পারে।’

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি-২০২৫-এ এগ্রিভোল্টাইককে একটি সম্ভাবনাময় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিবেশ মন্ত্রী । তিনি বলেন প্রতিটি প্রকল্পে অর্থবহ কৃষি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে সৌর কাঠামোর নকশা, প্যানেলের উচ্চতা, ব্যবধান ও অবস্থান এমন হতে হবে, যাতে তা ফসল উৎপাদনে সহায়ক হয়।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এগ্রিভোল্টাইক মডেলের কেন্দ্রে কৃষকদের রাখতে হবে। এসব প্রকল্পের কারণে কৃষক যেন জমিতে প্রবেশাধিকার হারিয়ে না ফেলেন বা অধিকাংশ সুবিধা অন্যরা ভোগ করার বিপরীতে তারা শুধু সাময়িক ও সীমিত অর্থ না পান। বরং কৃষিভিত্তিক জীবিকা সুরক্ষিত রেখে প্রকল্পগুলো থেকে কৃষকদের অতিরিক্ত ও পূর্বানুমানযোগ্য আয় নিশ্চিত করতে হবে।