
কীটনাশকের কাঁচামাল আমদানির উপর আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেছে, একটি সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে কৃষি খাতের জন্য কীটনাশকের প্রস্তুত পণ্য আমদানিতে মূসক না থাকলেও কাঁচামাল আমদানিতে মূসক দিতে হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কৃষি খাতের ১০টি সংগঠনের সঙ্গে বাজেট আলোচনা করে এনবিআর। খাত দুটির সংগঠনগুলো তাদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও করছাড়ের দাবি তুলে ধরে।

বাংলাদেশ অ্যাগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কৃষিবিদ কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রস্তুত পণ্যে ৮ শতাংশ শুল্ক থাকলেও কাঁচামাল আমদানিতে দিতে হয় ৫৮ শতাংশ। তাই কাঁচামাল আমদানিকারকদের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে হয় এবং অনেক পণ্য দেশে উৎপাদন করা যায় না। কাঁচামালে শুল্ক প্রত্যাহার করা হলে দেশেই ৯০ শতাংশ কীটনাশক উৎপাদন সম্ভব।
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘এটা মারাত্মক অভিযোগ। প্রস্তুত পণ্যে না থাকলে, কাঁচামালে কেন মূসক থাকবে? এটা আমরা দেখব। আমরা চাই দেশেই এসব পণ্য উৎপাদন হোক।’
ফল আমদানিতে বেশি শুল্ক থাকায় ব্যবসা কমছে বলে জানায় বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, চোরাচালানের মাধ্যমে অনেক ফল দেশে আসছে। কারণ, শুল্কহার ২৫ শতাংশ, আরডি বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কহার ২০ শতাংশ। মূসক ১৫ শতাংশ। শুল্ক–কর অনেক বেশি হওয়ায় মানুষ এখন ফল কিনতে পারছে না। ফলকে বিলাসপণ্য বলা হচ্ছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করহার কমালেও কেউ কর দিতে চায় না। বলে আরও কমান। পরে বলে শূন্য করেন। তারপর বলে এখন ভর্তুকি দেন। শেষে আবার ভর্তুকি বাড়ানোর দাবি জানায়। অর্থাৎ কর কমলে, আদায় বাড়ে, এমনটা বাস্তব না। রমজান মাসে অনেক সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।





