
আন্তর্জাতিক বাজারে অ্যারাবিকা কফির দাম বেড়ে ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ দরের কাছাকাছি পৌঁছেছে। জাপান ও ইউরোপে কফির মজুদ কমে যাওয়ায় সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে গতকাল আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে চিনি ও কোকোর দামও। খবর বিজনেস রেকর্ডার।নিউইয়র্কভিত্তিক ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) গতকাল অ্যারাবিকা কফির দাম প্রতি পাউন্ডে ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৩ ডলার ১৫ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের কার্যদিবসে পণ্যটির দাম বেড়ে প্রতি পাউন্ডে ৩ ডলার ১৮ দশমিক ২০ সেন্টে পৌঁছেছিল। ৯ সেপ্টেম্বরের পর এটিই ছিল সর্বোচ্চ দাম।

শিল্প খাতের বিভিন্ন সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে জাপান ও ইউরোপে কাঁচা কফির মজুদ কমেছে। পণ্যটির বড় বাজারগুলোর মধ্যে এ দুটি অঞ্চল উল্লেখযোগ্য।
এদিকে অপরিশোধিত চিনির দাম কমেছে। আইসিইতে চিনির দাম দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি পাউন্ডে ২০ দশমিক ৪২ সেন্টে নেমেছে। পাশাপাশি কোকোর বাজারেও দেখা গেছে দরপতন।




