Spread the love

অফ সিজন টমেটো চাষে লাভ বেশি তাই এবারও সাতক্ষীরায় গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চাষ বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ৭ হেক্টর বেড়ে মোট ১৩২ হেক্টর জমিতে এই টমেটোর ফলন হয়েছে। তবে ভরা মৌসুমেও বিপুল পরিমাণ আমদানিতে হতাশ চাষীরা। কারণ এতো খাটাখাটনি করে ঠিকমতো দাম পাচ্ছেন না তারা।কৃষকরা বলছেন প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন হবে এবার। আর কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকার বেচাকেনা হবে।


অফ-সিজন টমেটো চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হয়। উৎপাদন ভালো হলে সাধারণত লক্ষাধিক টাকা লাভ থাকে। কিন্তু এ বছর উৎপাদন খরচ বাড়লেও উল্টো কমেছে বাজার দর। ফলে বিদেশি টমেটোর ওপর নির্ভরতা না কমালে চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে জানান প্রান্তিক কৃষকরা।

সাতক্ষীরার মাটি ও আবহাওয়া গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এটি স্বল্প সময়ে বেশি লাভজনক হওয়ায় কৃষদের আগ্রহ বাড়ছে। জেলায় বারি-৪, ৮, ১০ ও ১১ জাতের উচ্চফলনশীল গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ বেশি হয়। বছরের এই সময়ে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ রাখার পরামর্শ ভুক্তভোগী চাষীদের।

অন্যান্য বছর এই টমেটো চাষের শুরু এবং শেষের দিকে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও, এবার পুরো মৌসুমেই তা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ দেশের বাজারে সারাবছরই এই সবজির চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা জানান, সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নে অফ সিজন টমেটোর উৎপাদন বেশি। তবে, গতবারের চেয়ে দাম কিছুটা কম।

মৌসুমী টমেটো দিয়ে জেলার চাহিদা মিটলেও অমৌসুমী টমেটোর উৎপাদন কম হওয়ায় সরকারকে তা আমদানি করতে হয়। আমদানি করলেও কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়বেন না বলে জানান একজন কৃষি কর্মকর্তা।