ডিজিটাল বাংলাদেশের যে এক্সপো চলছে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে তাতে ‘ডিওবি জলযান’ , মশকনিধনে বিষমুক্ত প্রযুক্তি, দৃষ্টিহীনদের জন্য এআই চশমার পাশাপাশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কৃষি তথা মৎস ও গবাদিপশুর ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তিও । ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো’তে গেলে দেখা মিলবে অবহেলিত শুটকি মাছের তৈরিতেও কিভাবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব,সেটাও।আছে গবাদিপশুর ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে শিক্ষাথীর্দের উদ্ভাবনও ।
গবাদিপশু ব্যবস্থাপনায় এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর ‘সবার খামার’ সিস্টেম যৌথভাবে তৈরি করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তির্যক লিমিটেডের সহযোগিতায় তৈরি সিস্টেমটি দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে ডিজিটাল রূপান্তর করতে সক্ষম। এ বিষয়ে আহনাফ ফেরদৌস ও ফাহমিদা সুলতানা জানান, প্রথাগত খামার ব্যবস্থাপনায় এখনো আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আমরা এই সিস্টেমের মাধ্যমে পশু ব্যবস্থাপনার প্রতিটি ধাপকে আধুনিকায়ন করছি। পশুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে খাদ্য ব্যবস্থাপনার মতো সবই হবে তথ্যের ভিত্তিতে। এই সিস্টেম আমাদের দেশের সাধারণ কৃষক ও বড় খামারিদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে, যা সরাসরি জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।
শুঁটকি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় খাবার ও বড় রপ্তানি পণ্য। তবে প্রাকৃতিকভাবে রোদে শুকিয়ে শুঁটকি করতে অনেক সময় লাগে এবং অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ঝুঁকি থাকে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এর সমাধানে তৈরি করেছেন একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের হর্টিকালচার বিভাগের শিক্ষার্থী বিজয়িনী চাকমা বলেন, আমরা শুঁটকি উৎপাদনকারীদের কষ্ট লাঘব করতে একটি বিশেষায়িত চেম্বার বা ঘর তৈরি করেছি। ঘরটিতে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য হিটার ও বাতাস চলাচলের জন্য স্বয়ংক্রিয় ফ্যান ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে খোলা আকাশের নিচে দিনের পর দিন অপেক্ষা না করে অল্প সময়ে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে প্রচুর পরিমাণ শুঁটকি তৈরি করা সম্ভব।
সুত্র> প্রথম আলো



