
চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা বা ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বিধিমালা তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ফর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি) আয়োজিত ‘কনভেনিং পার্টনারশিপ অন ফুড ফর্টিফিকেশন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। এ সময় খাদ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে চাল ও আটায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
জনগণের কাছে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পৌঁছে দিতে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা জরুরি বলে উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, লবণ ও ভোজ্যতেলে আয়োডিন ও ভিটামিন যুক্ত করার উদ্যোগ সফল হলেও চাল ও আটার ক্ষেত্রে তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ৩ কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়। অন্যদিকে চালের চাহিদা ৩ কোটি ২৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকায় চালের ফর্টিফিকেশন বাস্তবায়নে সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী রূপরেখা প্রণয়ন সম্ভব।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনসহ সরকারি বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে সরবরাহ করা চাল ও আটায় পর্যায়ক্রমে ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের পরিধি ও পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করারও আহ্বান জানান তিনি।




