
নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ ও এলপিজি সংকটের কারণে পরিচালন ব্যয় বাড়লেও খাবারের দাম বাড়াতে পারছেন না রেস্তোরাঁ মালিকেরা। এর ফলে বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে বলে দাবি করেছেন তারা। এমতাবস্থায় খাবারের দাম বাড়াতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ বন্ধসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছেন রেস্তোরাঁ মালিকেরা। একই সঙ্গে তারা গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেয়া দরকার বলেও মন্তব্য করেছেন।
আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনের এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান।
২০২২ সালে রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প ঘোষণা করা হলেও ব্যবসায়ীরা এখনো ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ভ্যাট-কর সুবিধা পাচ্ছেন না বলে জানান রেস্তোরাঁ মালিকদের এ নেতা। এ খাতের জন্য দ্রুত সুনির্দিষ্ট পৃথক শিল্পনীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে ইমরান হাসান বলেন, বাজারে গরুর মাংসের দাম ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা হওয়ায় এবং স্থানীয় বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাবে সরবরাহ ঘাটতি দেখা দেয়ায় সীমিত আকারে গরুর মাংস আমদানির অনুমতি দেয়া দরকার। এছাড়া ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক পরিচয় বা দলের ট্যাগ দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হয়রানি ও চাঁদাবাজি দ্রুত বন্ধ করে নিরাপদ ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।




